অবৈধ অর্থ উপার্জন

হারাম অবৈধ অর্থ উপার্জন করে লাভ কি?

জনৈক কর কমিশনার এর ফেসবুক পোস্ট হতে নেয়া:

ভয়ংকর এক অভিজ্ঞত এক: ওয়ান ইলেভেনের সময় একজন উর্ধতন কর্মকর্তা গ্রেফতার হলেন। সাথে তাঁর স্ত্রী। এসময় তাঁদের সম্পদের তদন্ত করা হচ্ছিলো। দায়িত্ব প্রাপ্ত টাস্ক ফোর্সের সদস্য হিসেবে ভদ্রমহিলাকে আমি জিজ্ঞেস করলাম,এ বিপুল সম্পদ জোগাড়ের উৎস সম্পর্কে আপনার কিছু বলার আছে?তিনি উত্তর দিলেন, আমার হ্যাজবেন্ডকে জিজ্ঞেস করুন। তাঁকে আপনারা জেলে দিন, ফাঁসি দিন, কিন্তু আমাকে নিয়ে টানাটানি করছেন কেন? আমি বললাম, কিন্তু আপনি তো তাঁর সম্পদের সুবিধাভোগী —কথা শেষ হওয়ার আগেই তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলিনি চুরি করে আমাকে সম্পদ বানিয়ে দিতে। সে দিয়েছে,আমি এনজয় করেছি। আমার কী দোষ? তাঁকে শাস্তি দিন, আমাকে নয়। তাঁর পাপের শাস্তি আমাকে কেন দেবেন?

প্রেক্ষাপট দুই:

আরেকজন। বাড়ির সংখ্যা কুড়ির ওপর। জিজ্ঞেস করলাম, ভাই, এত বাড়ি কেন করলেন? কার জন্য? কয়টা বাড়ি এক জীবনে লাগে?উত্তর দিলেন, স্যার, প্রথম বাড়িটি করার পর কেমন নেশার মতো হয়ে গেলো। কেন এত বাড়ি করলাম নিজেও জানি না।এর কিছুদিন পর জামিনে থাকা অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।কয়েক দিন পর তাঁর আইনজীবী মৃত্যুর খবর দেওয়ার জন্য অফিসে এলেন। তখন শুনলাম ভয়ংকর এক কাহিনী।ভদ্রলোকের নাকি দুই বিয়ে ছিলো। তাঁর লাশ উঠানে ফেলে দুই পক্ষ তীব্র ঝগড়ায় মাতলো সম্পত্তির বিলি বন্টন নিয়ে। উভয় পক্ষের জিদ তাঁকে দাফন করার আগেই এ বন্টন নিশ্চিত করতে হবে। অনেকে বুঝালেন যা হবে আইন অনুযায়ী হবে। কে শোনে কার কথা। উভয় পক্ষের দাবী তাঁদের প্রাপ্যতা বেশি।তাঁরা ঝগড়া করছেন আর সম্পদ উপার্জনকারীর লাশ উঠানে দূরগন্ধ ছরাচ্ছে!৩. অন্য আরেকজন। অতি পদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। আমার সাথে দেখা এ শতকের প্রথম দিকে। তখন তাঁর বয়স প্রায় পঁচাশি। আমি একবার জিজ্ঞেস করলাম, স্যার, কিছু মনে করবেন না, এ বয়সে আপনার কি এতো ঝামেলা করে অফিসে অফিসে ঘুরার দরকার আছে? বাড়িতে আর কেউ নেই? তাঁর চেহারা কুঁচকে গেলো, সেখানে কিলবিল করতে লাগলো হতাশা। তিনি বললেন, আপনি আমার পুত্র না, নাতির বয়সী। আপনাকে একটি কথা বলি, চাকুরি জীবনে আমি প্রয়োজনের চাইতে বেশি কামিয়েছিলাম। সেটিই আমার জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি মাত্র ছেলে। পড়াশুনা করেনি। সারাদিন ঘুমায় আর সন্ধ্যা হলে ক্লাবে গিয়ে মদ নিয়ে বসে। মাঝরাতে পাঁড় মাতাল হয়ে বাড়ি ফিরে আমাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। ভোরের দিকে ঘুমায়। তারপর সারাদিন বিছানায়। বিয়েশাদিও করাতে পারি নাই। বলতে বলতে তিনি কাছে ঝুঁকে বললেন, ভাই, আমার ছেলে মানুষ হয় নাই কেন জানেন? আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে আছি।তিনি বলতে লাগলেন, কারণ সে জানে তাঁর বাবার টাকা এক জন্মে খেয়ে সে শেষ করতে পারবে না। আমি যদি প্রয়োজনের বেশি উপার্জন না করতাম তাহলে এটা হতো না। সন্তান ‘অমানুষ’ হওয়ার মতো কষ্ট আর কিছুতে নেই ভাই।

বিজ্ঞাপন: সব ধরনের ভিসা এক ঠিকানায় পেতে যোগাযোগ করুন সেবারু হটলাইনে!
সেবার এরিয়া জানতে ক্লিক করুন:- ১. বিদেশে উচ্চশিক্ষা ২. বিদেশে কাজের ভিসা ৩. বিদেশে মেডিকেল ভিসা
স্টুডেন্ট ভিসা:- মালয়েশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ায়, চায়না, ভারত, লিথুনিয়া, ফিনল্যান্ড, জার্মানী, পোল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের স্টুডেন্ট ভিসা।
জব ভিসা: সৈদিআরব, কাতার, দুবাই, রোমানিয়া, আলবেনিয়া, রাশিয়া, সার্বিয়ায় কাজেরসহ আরও কয়েকটি দেশের ভিসা করা হয়।
চিকিংসা ভিসা: ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা ভিসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন।
যোগাযোগ: মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৭৯০৫৫০০০০ (সকাল ১০টা থেকে রাত ৯ টার মধ্যে কল করুন)
ইউটিউব।। ফেসবুক।। কাজের ভিসা ফেসবুক গ্রুপ।। স্টুডেন্ট ভিসা ফেসবুক গ্রুপ।।

প্রেক্ষাপট চার: এবার একদম নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি। একবার আমি আমার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলাম, আচ্ছা, আমার উপার্জনে যদি কোনো কালো দাগ থাকে তুমি কি তার দায়ভার নেবে?আমার স্ত্রী কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, আমি জানি আমার উত্তরে তুমি মন খারাপ করবে, তবু সত্য কথাটা বলি।তাহলো, পরিবার প্রধান হিসেবে আমাদের ভরণপোষণের দায়িত্ব তোমার, কিন্তু সে উপার্জনের দায়ভার ইহকালে বা পরকালে আমি বা অন্য কেউ কখনোই নেবে না। অতীতেও কেউ নেয়নি,ভবিষ্যতেও নেবে না। কেউ চাইলেও নিতে পারবে না। একই ভাবে আমি যে রোজগার করি তার দায়িত্ব তুমি নেবে না।ইউ মাস্ট ডাইজেস্ট দিস বিটার ট্রুথ।

আশাকরি উপরের আলোচনায় পৃথিবীর এই মোহসম্পর্কে আমরা সকলে সঠিক শিক্ষা লাভ করতে পারব। আমিন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *