লালবাগ কেল্লা

লালবাগ কেল্লা

লালবাগ কেল্লা ঢাকার লালবাগে অবস্থিত। পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক লালবাগ কেল্লা ১৭ শতকের মোঘল স্থাপত্য।
তৈরি করেন মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র প্রিন্স মোহাম্মদ আযম। তিনি ১৬৭৮ সালে এটি তৈরি করেন।
এটি ঢাকার প্রধান পর্যটন স্থান্ এর অসাধারণ স্থাপত্য কীর্তি সবাইকে টানে।কেল্লার ভেতরে যেসব স্থাপনা সহজেই নজর কাড়ে সেগুলো হচ্ছে-
পরীবিবির মাজার, লারবাগ মসজিদ, নবাব শায়েস্তা খানের হাম্মাম ও দরবার হল তিন গম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি। অসমাপ্ত এক স্থাপত্য এই লালবাগ প্রাসাদ দুর্গ।
স্থাপনকাল ও নির্মাতা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।

প্রচলিত আছে, সুবেদার শাহজাদা মোহাম্মদ আজম এর নির্মাণকাজ শুরু করেন। অপর মতে, শায়েস্তা খান এর (১৬৬৪-৭৭) নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন।
তবে কেল্লার ভেতরে মসজিদ নির্মিত হয়েছে আরো আগে। ধারণা করা হয়, আওরঙ্গজেবের ভাই শাহ সুজা বাংলার সুবেদার থাকার সময় (১৬৩৯-১৬৬০)এটি নির্মাণ করেন।
১৬৮৪ সালে পরীবিবির মাজার নির্মিত হয়। কন্যা বিয়োগ শোকে মুহ্যমান পিতা শায়েস্তা খান অনেক যতœ করে সমাধিটি নির্মাণ করেন।
উত্তর ভারতের রাজমহল থেকে কালো পাথর, চুনার থেকে বেলে পাথর ও জয়পুর থেকে এনেছিলেন সাদা মার্বেল।
দুর্গের ভেতরে দোতলা ভবনটি হাম্মামখানা হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে যাদুঘর হিসেবে।
তবে লারবাগ দুর্গকে সংস্কার করা হলেও সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত স্থাপনা বলা যায় না। দুর্গের দেয়াল ও ফটকগুলো ঝুঁকিপূর্ণ।

কেল্লায় প্রবেশ মূল্য:

প্রাপ্ত বয়স্ক বাংলাদেশী দর্শক = ৫ টাকা জনপ্রতি, অপ্রাপ্ত বয়স্ক বাংলাদেশী শিশু দর্শক (১২ বছরের নিচে) = ২ টাকা জনপ্রতি, সার্কভুক্ত দেশীয় দর্শক = ৫ টাকা জনপ্রতি,
অন্যান্য বিদেশী দর্শক = ৭৫ টাকা জনপ্রতি, এছাড়া প্রতিবন্ধী দর্শকদের জন্য কোন টিকিটের প্রয়োজন হয় না ও
পূর্ব থেকে আবেদনের ভিত্তিতে ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে জাদুঘর দেখতে দেয়া হয়।
ফোন নম্বর: ৭৩৯১১২২, ৭৩৯৩৮৬৬

বিজ্ঞাপন:
বিদেশে স্টুডেন্ট ভিসা, মেডিকেল ভিসাজব ভিসা সংক্রান্ত ১২ বছরের অধিক সময় ধরে কাজ করছে ট্রাস্ট গ্লোবাল স্টাডি লিঃ ও অ্যামেজিং গ্লোবাল
ট্যুরস এ্যান্ড ট্রাভেলস । ঠিকানা: হেড অফিস- R H Home Centre, Room 511 (5th Floor, 74/B/1 Green Rd, Dhaka 1215, Bangladesh.
মোবাইল: ০১৭৯০৫৫০০০০, টেলিফোন: ০২৪৪৮১৫২৮১


সংকলনে: আবু জাফর রাজুভিসা কনসালটেন্ট ( ভারত, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর)।
লালবাগ কেল্লা লেখাটি সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১
বিজ্ঞপ্তি: লেখাটি হুবহু কপি না করার জন্য অনুরোধ করছি। সাহায্যের জন্য বা রেফারেন্স হিসেবে অংশ বিশেষ ব্যবহার করতে পারেন।
সে ক্ষেত্রে এই পোস্টের লিংক প্রদানের অনুরোধ করছি। লেখকের কষ্টের মূল্য প্রদানে আপনার বিবেকের প্রতি আরজি রইল।

লেখাটিতে উপকার পেয়েছেন? আবার পড়তে চান? তাহলে শেয়ার করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published.