হারবাল ঔষধ

হারবাল ঔষধ, চিকিৎসা ও খাদ্য তালিকা

নিচে হারবাল চিকিৎসা, হারবাল ঔষধ, হারবাল ফুড ও ঔষধী গুণাগুন সমৃদ্ধ খাবার তালিকা প্রদান করা হল:

ত্রিফলা ও এর উপকারিতাঃ

বহেরা, হরিতকি ও আমলকি এই নিয়ে ত্রিফলা। এর উপকারিতা অনেক। নিচে কিছু ত্রিফলার উপকারিতা বর্ণনা করা হল,

  • হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।
  • রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়।
  • রক্তচাপ কমায় ও হার্টের জন্য উপকারী।
  • অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
  • লিভারের পিত্ত নিঃসরণ বাড়ায়।
  • বাড়তি ওজন কমায়।
  • অ্যালার্জি কমায়।

সেবন পদ্ধতিঃ
১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে দৈনিক ২ বার খাবেন। খালি পেটে খেলে ভাল।

মেথির উপকারিতা

ঔষধী উপানে সমৃদ্ধ মেথি। এটি গ্যাস্টিকের জন্য অপ্রতিদন্দি। নিচে এর সামান্য কিছু উপকারিতা তুলে ধরা হল,

  • রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • পেট ফাঁপা ও বদহজমে ভালো কাজ করে।
  • পেস্ট করে চুলে ব্যবহার করলে চুল মজবুত হয়।
  • ত্বকে ব্যবহারে ত্বক উজ্জ্বল হয়।
  • শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • নিয়মিত মেথি খেলে পেটে কৃমি হয় না।
  • রক্ত সল্পতায় মেথি খেলে উপকার পাওয়া যায়।

সেবন বিধি:
১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে খাবেন। অথবা ডাক্তারের পরামর্শ অনুসারে সেব্য।

অর্জুনের ছালের উপকারিতাঃ

১। হৃদরোগ উপশম করে, হৃদ পেশিকে শক্তিশালী করে এবং হৃদপিণ্ডের দূর্বলতা দূর করে।
২। হাঁপানিতে বিশেষ কার্যকরি।
৩। দুধের সাথে খেলে বুক ধরফড় কমে।
৪। চর্ম ও যৌন রোগে অর্জুন বহুল ব্যবহৃত।
৫। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে, মূত্র বর্ধক।
৫। অর্জুনে বিদ্যমান ট্রাইটারপিন রক্ত আমাশয় নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।
৬। মধুর সাথে মিশিয়ে ব্রণ ও মেছতায় দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
৭। এছাড়াও ক্ষত, ফোঁড়া, মুখ জিহবা ও মাড়ির প্রদাহে, জ্বর সারাতে এবং হজম শক্তি বৃদ্ধিতে অর্জুন কার্যকরী।

সেবন পদ্ধতিঃ ৫ গ্রাম বা ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে খাবেন।

জামবীজের উপকারিতাঃ

  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আদর্শ পথ্য এবং খুবি কার্যকরি।
  • রক্তের শর্করা কমায়।
  • ঘন ঘন মূত্রত্যাগ কমাতপ সাহায্য করে।
  • পাকস্থলী, প্লিহা ও যকৃতের শক্তি বৃদ্ধি করে।

সেবন পদ্ধতিঃ ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে দৈনিক এক বা দু ‘বার খাবেন।

সজিনা পাতার উপকারিতাঃ

১। দেশি ও বিদেশি পুষ্টি বিজ্ঞানীরা সজিনাকে অলৌকিক বৃক্ষ বলেছেন।
২। এ পাতায় ৮ প্রকারের অ্যামাইনো অ্যাসিড সহ ৩৮% আমিষ আছে।
৩। লেবুর চেয়ে ৭ গুন বেশি ভিটামিন-সি, গাজরের চেয়ে ৪ গুন বেশি ভিটামিন-এ, ডিম থেকে দ্বিগুণ বেশি প্রোটিন, দুধের চেয়ে ৪ গুন বেশি ক্যালসিয়াম, কলার চেয়ে ৩ গুণ বেশি পটাশিয়াম ও পালংশাকের চেয়ে পাঁচ গুন বেশি আয়রন আছে।
৪। কোলেস্টেরল কমায়, হজম শক্তি বৃদ্ধি করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
৫। এটি রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে।
৬। যৌবন ধরে রাখে।
৭। হার্ট ভাল রাখে।
৮। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

খাবার পদ্ধতিঃ ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে দৈনিক ২ বার খাওয়া যাবে।

নিম পাতার উপকারিতাঃ

জাতিসংঘের ঘোষিত একুশ শতকের বৃক্ষ।
১। রক্ত পরিষ্কার করে।
২। বিভিন্ন চর্মরোগ – অ্যালার্জি, চুলকানি ও খোসপাঁচড়ায় বিশেষ উপকারী।
৩। নিম পাতা ফাঙ্গাস ও ব্যাক্টেরিয়া বিরোধী। ব্রণ সমস্যায় ফস মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
৪। নিম ব্যবহারে চুলের গোড়া শক্ত হয়, চুল হয় সিল্কি ও খুশকি মুক্ত।
৫। নিম পাতার পানি দিয়ে গোসল করলে বিভিন্ন চর্ম সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।
৬। কাঁটা- ছেঁড়ায় বা পোড়া স্থানে নিম পাতার রস ভেষজ ঔষধের মত কাজ করে।

ব্যবহারঃ ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে খাবেন।
এছাড়াও নিম পাতার পাউডার পেস্ট করে চুলে, মুখে ও শরীরে মাখতে পারেন। নিম পাতার পানি দিয়ে গোসল করতে পারেন।

চিরতার উপকারিতাঃ

১। চুলকানি ও বিভিন্ন চর্ম সমস্যায় উপকারী।
২। কৃমি দূর করে।
৩। ব্রণ কমায় ও ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
৪। ব্লাড সুগার কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
৫। রক্তশূন্যতা কমায়।
৬। চিরতা ভিজানো পানি খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে।

সেবন পদ্ধতিঃ ১/২ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে ৩০ মি. ভিজিয়ে দৈনিক ১ বার সেব্য।

সোনাপাতার উপকারিতাঃ

১। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে চমৎকার কাজ করে।
২। দ্রুত ওজন কমায়।
৩। উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
৪। হজম প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়। এতে কোলনের সঞ্চালন উদ্দীপ্ত হয়।
৫। পায়ু পথের কোষ্ঠবদ্ধতা দূর হয়।

সেবন পদ্ধতিঃ ২-৩ গ্রাম পাউডার বা আধা চা চামচ পাউডার পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে খাবেন।

সতর্কতাঃ গর্ভবতী মা ও শিশুদের খাওয়ার উপযুক্ত নয়।

আমলকি গুড়ার উপকারিতা:

আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। বিভিন্ন রোগব্যাধি দূর করা ছাড়াও রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে তুলতেও আমলকি দারুণ সাহায্য করে। তাছাড়া আমলকির ভিটামিন সি প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা শরীরের বিভিন্ন ক্ষতিকর মুক্ত মৌলগুলোর (ফ্রি রেডিকেল) প্রভাব থেকে রক্ষা করে।
উপকারিতা :
১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে
২. এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে
৪. এক গ্লাস দুধ বা পানির সঙ্গে আমলকি গুঁড়া ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারলে অ্যাসিডিটির সমস্যা কমবে।
৫.আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী।

মেহেদি গুড়ার উপকারিতাঃ

১.চুলের রুক্ষতা দূর করে
২.চুল পড়া কমে
৩.নতুন চুল গজাতে অনন্য
৪.চুলের ঘনত্ব বাড়ায়
৫.চুল লাম্বা করতে সহায়তা করে
৬.মাথা ঠান্ডা রাখে

এছাড়াও ধুলাবালি মাথার তালুর ঘামের কারনে চুল ভেঙে যায় এসব থেকে ভাল থাকতে মেহেদি গুড়াব্যবহার করা জরুরি।

ভৃঙ্গরাজ এর উপকারিতা :

ভৃঙ্গরাজের আরেকনাম কেশরাজ। কেশ বা চুলের যত্নে এটি সবার রাজা।

উপকারিতা:
১,চুল পড়া বন্ধ করে
২,চুলের গোড়া মজবুত করে
৩,মাথার খুশকি দূর করে
৪,চুলের উকুন দূর করে

রিঠার উপকারিতা:

১. রিঠাতে থাকা উপাদান সমূহ চুলের ডগা ফাটা বন্ধ করে দেয়। আমাদের মাথার স্কিন জাতীয় যাবতীয় সমস্যার সমাধান হয়।
২. চুল প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে পরিষ্কার হওয়ার ফলে চুলের ঘনত্ব বাড়ে। চুল পড়া কমে যায়। উকুনের সমস্যা থাকলে তা সহজে কোন সাইড এফেক্ট ছাড়া সমাধান হয়ে যায়।

৩.মাথায় একজিমার সমস্যা থাকলে সহজে দূর হয়ে যায় রিঠা ব্যবহারের ফলে।

এ্যালোভেরা এর উপকারিতা:

এ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী ভিটামিন এ.সি.ই ফলিক কোলিন, বি১, বি২, বি৩ (নিয়াসিন) ও ভিটামিন বি৬ এর দারুণ উৎস।

এছাড়াও শরীরের অতি প্রয়োজনীয় ৮টি অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ২ রকমের খনিজ পদার্থ রয়েছে এতে যা চুল ও ত্বকের যত্নে মহৌষধ। শরীরের নানা ধরনের প্রদাহ ও ব্যথা কমাতে এবং ক্লান্তি অবসাদ দূর করতে এটি অত্যন্ত সহায়ক।

গোলাপ গুড়ার উপকারিতা:

গোলাপ পাপড়িতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ অ্যান্টি-সেপ্টিক উপাদান থাকে।শরীর, মন ও ত্বকের উপর ইতিবাচক প্রভাব আছে প্রাচীনকাল থেকেই।

১,ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করে
২,বলিরেখা দূর করে
৩,বয়সের ছাপ দূর করে
৪,ব্রণ ও গভীর ক্লিনিজিং এ টোনার হিসেবে কাজ করে

কস্তরি হলুদ এর উপকারিতা:

প্রাচীন আয়ুর্বেদ রূপচর্চায় ব্যবহৃত খুবই জনপ্রিয় উপাদান কস্তরি হলুদ।

১. ত্বকের বলিরেখা দূর করে
২.তারুণ্য ফিরিয়ে আনে
৩.ব্রণ দূর করে
৪.তৈলাক্ত ভাব কমায়
৫.চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে

এছাড়াও এটি ত্বক ফর্সা করে চোখে পড়ার মতো।

চন্দন লাল:

প্রাচীন কাল থেকে রুপচর্চায় চন্দন স্থান করে নিয়েছে। লাল চন্দন ত্বকের যত্নে নিজেই তার উদাহরণ

১.কালো দাগ দূর করে
২.রোদে পড়া দাগ দূর করে
৩.ব্লাহেড ও ব্রণ অপসারণ করে

এছাড়াও লাল চন্দন ত্বককে নরম ও মসৃণ করে ফর্সা করে চোখে পড়ার মতো

মুলতানি মাটির উপকারিতা:

১.ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়
২.ব্রণের দাগ দূর করে
৩.ধীরে ধীরে ত্বক উজ্জ্বল করে
৪.ত্বক ভিতর থেকে পরিষ্কার করে

আদার উপকারিতাঃ

১। রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়।
২। জ্বর, ঠান্ডা লাগা ও ব্যাথায় আদা উপকারী।
৩। শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৪। গ্যাস্ট্রিক ও পেটের ব্যাথায় আদা উপকারী।
৫। রক্তের সুগার কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।
৬। বমি বমি ভাব, মাথা ঘুরানোয় আদা উপকারী।
৭। পেট ফাঁপা দূর করে।

ব্যবহারঃ ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ কুসুম গরম পানি বা রং চায়ে দিয়ে খাওয়া যাবে। এছাড়াও দৈনিন্দিন রান্নার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে।

দারুচিনির উপকারিতা:

“দারুচিনিতে” আছে পলিফেন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা আমাদের শরীরকে নানাবিধ রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।

১.ঠান্ডা,গলা ব্যথা খুশখুশ কাশিতে মধুর সাথে খেলে বেশি উপকারী
২.পেটের সমস্যা, গ্যাস্ট্রিক,অ্যাসিডিটি দুর করে।
৩.বাতের ব্যাথা দূরীকরনে অনন্য

এছাড়াও রক্তের সুগার,কোলেষ্টের এবং ত্বকের যত্ন ও ব্রণ প্রতিরোধে এটি খুবই কার্যকর।

রসুন গুড়ার উপকারিতা

১.এটি শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়
২.উচ্চ রক্তচাপ দ্রুত কমায়
৩.ডায়াবেটিস,কোষক্ষয়,স্কীন ইনফেকশন এবং হার্টের জন্য অত্যন্ত কার্যকরি

অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের জন্য ভ্যালজকাইমার লেড ও ডিমেনসিয়ার প্রকোপ কমে এবং শরীরের লেড ও ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়।

কালোজিরার উপকারিতা

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেনঃ “তেমরা কালোজিরা ব্যবহার করবে, কেননা এতে একমাত্র মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের নিরাময় রহিয়াছে।” সহিহ বোখারী, ১০/১২১।
১। রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।
২। নিয়মিত কালোজিরা খেলে দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে।
৩। সর্দি- কাশি ও ঠান্ডার সমস্যায় কালোজিরা খুবি কার্যকরি।
৪। মাতৃদুগ্ধ বৃদ্ধিতে কলোজিরা খুবই কার্যকরী।
৫। নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ালে শিশুর দ্রুত দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে।
৬। হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টে কলোজিরা উপকারী।
৭। রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

কালোজিরার তেলের উপকারিতাঃ

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেনঃ “তেমরা কালোজিরা ব্যবহার করবে, কেননা এতে একমাত্র মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের নিরাময় রহিয়াছে।”
~~সহিহ বোখারী, ১০/১২১।
কালোজিরা ভর্তার বিশেষ গুন এর পরিপূর্ণ কার্যকারিতা কালোজিরা দানার চেয়ে অধিক,কারন এটি হজম হয়ে যায় তাড়াতাড়ি।
১। রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।
২। নিয়মিত কালোজিরা খেলে দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে।
৩। সর্দি- কাশি ও ঠান্ডার সমস্যায় কালোজিরা খুবি কার্যকরি।
৪। মাতৃদুগ্ধ বৃদ্ধিতে কলোজিরা খুবই কার্যকরী।
৫। নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ালে শিশুর দ্রুত দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে।
৬। হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টে কলোজিরা উপকারী।
৭। রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

বাসক পাতার উপকারিতাঃ

১। বুকে কফের জন্য শ্বাসকষ্ট ও কাশি হলে বাসক পাতা ১/২ চা চামচ মধু সহ খেলে কফ সহজে বেরিয়ে আসে।
২। বাসক পাতার রসপর সাথে ১/ ২ চামচ মধু মিলিয়ে খেলে ছোট বড় সবারি সর্দি কাশি উপশম হয়।
৩। বাসক পাতার রস ১ বা ২ চামচ মধু সহ খেলে জন্ডিস রোগে উপকার পাওয়া যায়।
৪। বাসক পাতা হাঁপানিতে খুবি কার্যকরী।
৫। বাসক পাতার সাথে কাঁচা হলুদ বেটে দাদ চুলকানিতে লাগালে কয়েকদিনের মধ্যে তা সেরে যায়।
৬। বাসক পাতা দীর্ঘক্ষণ পানিতে রাখলে পানি বিশুদ্ধ হয়।
৭। বাসক পাতার রস নিয়মিত খেলে খিঁচুনি রোগ সারে।

সেবন পদ্ধতিঃ ৫ গ্রাম বা ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে খাবেন।

তুলসি পাতার উপকারিতাঃ

১। ব্রংকাইটিস, অ্যাজমা, ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং ঠান্ডা- সর্দিতে তুলসি পাতার সাথে মধু ও আদার মিশ্রণ দারুণ কাজ করে।
২। মানবদেহের যে কোন ধরনের জীবানু ও সংক্রমণ প্রতিরোধে তুলসি পাতা অনন্য।
৩। তুলসি পাতা এলাচ সহ পানিতে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে পান করলে জ্বর চলে যায়।
৪। রাতকানা রোগ সারাতে প্রাচীনকাল থেকে তুলসি বহুল প্রচলিত।
৫। দেহের টক্সিন বের করে, খালি পেটে তুলসি পাতা খেলে কিডনি পাথর দূর হয়।
৬। মুখের দূর্গন্ধ নাশক, দাঁতের ক্ষয়রোধ করে।
৭। তুলসি পাতা সাথে আমলকী বেটে আধাঘন্টা মাথায় দিলে চুলপড়া বন্ধ হয়।

ব্যবহারঃ ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে খাবেন। চা বানিয়ে খেতে পারেন। সাথে মধু দিয়ে খেলে আরো ভাল।

যষ্টিমধুর উপকারিতাঃ

১। কাশি, গলা ব্যাথা ও রক্তক্ষরণ বন্ধে যষ্টিমধু অতুলনীয়।
২। মুখের দূর্গন্ধ দূর করে, রুচি বর্ধক।
৩। যারা এ্যাসিডিটিতে ভোগেন তারা ফুটনো গরম পানিতে যষ্টিমধু ভিজিয়ে ঠান্ডা করে মধু দিয়ে পান করুন।
৪। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দুধের সাথে যষ্টিমধুর গুড়া মিশিয়ে পান করুন।
৫। ত্বকে উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে এবং বলিরেখা, ব্রণ ও দাগ দূর করতে যষ্টিমধুর সাথে মধু মিশেয়ে ব্যবহার করুন।
৬। যষ্টিমধু, তিলের তেল ও আমলকী একত্রে মিশিয়ে চুলে লাগালে চুল পড়া বন্ধ হয় ও খুশকি দূর হয়।
৭। যষ্টিমধুর গ্লাইসিরাইজিন বিষাক্ত পদার্থের কবল থেকে লিভার কোষ সমূহকে সুরক্ষা করে।

সেবন পদ্ধতিঃ ৫ গ্রাম বা ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ কুসুম গরম পানি /দুধ/ রং চায়ে মিশিয়ে খেতে পারেন।

মৌরি গুড়া:

মৌরিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম,জিংক,ভিটামিন-সি,আয়রণ,সেলেনিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম এর মত খনিজ ইত্যাদি উপাদান।

উপকারিতাঃ
১,পশ্রাবের সমস্যা দূর করে
২,হজমশক্তি বৃদ্ধি করে
৩’কোষ্টকাঠিন্য দুরিকরনে অনন্য
৪,ত্বক ও চুলের পুষ্টি জোগায়

এছাড়াও দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ও মুখের দূর্গন্ধ দূরীকরণ এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন সগ ওজন,চর্বি কমাতে উত্তম মৌরি।

পুদিনা পাতার উপকারিতাঃ

১। হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, মুখের অরুচি ও পেটের গ্যাস সমস্যা দূর করে।
২। পুদিনা শরীরকে ঠান্ডা রাখে, তাৎক্ষণিক ক্লান্তি দূর করে।
৩। পুদিনা পাতার চা পান করলে মাথাব্যথা, মাইগ্রেনের ব্যাথা সহ শরীরের যে কোন ব্যাথা উপশম হয়।
৪। ত্বকের সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিকের মত কাজ করে।
৫। ব্রণ ও ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করে।
৬। পেটের পীড়া ও বদহজমে কার্যকরী।

সেবন পদ্ধতিঃ ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে খাবেন। এছাড়াও পুদিনা চা ও জুস বানিয়েও খেতে পারেন।

থানকুনির উপকারিতাঃ

১। শরীরের বিষাক্ততা কমায় ও ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়।
২। পেটের রোগ নির্মূলে থানকুনি অনন্য।
৩। থানকুনি পাতার Bacoside A & B থাকে। যা মস্তিষ্কের কোষ বৃদ্ধি করে ও রক্ত চলাচল বাড়ায়।
৪। থানকুনি স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখে ও স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।
৫। বয়স বাড়লেও যৌবন ধরে রাখতে থানকুনি অনন্য।
৬। জ্বর, পুরাতন আমাশয় ও ক্ষত সারাতে থানকুনি বিশেষ ভূমিকা রাখে।
৭। থানকুনি চুলপড়া কমায় ও নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
সেবন পদ্ধতিঃ ৫ গ্রাম বা ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে খাবেন।

চিয়া সিড এর উপকারিতা:

লো-ক্যালোরি কিন্ত প্রচুর পুষ্টি চিয়া সিডকে আধুনিক কালে “সুপার ফুডে” পরিণত করেছে।

উপকারিতা:
১,ওজন কমায়
২,ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে
৩,কোলেস্টেরল কমায়
৪,রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা বাড়ায়

তালমাখনার উপকারিতা:

১.দেহ ও মনে প্রফুল্লতা আনে
২.দেহের পুষ্টি ও বল বাড়ায়
৩.শুক্রবর্ধক,বীর্য গাঢ়কারক
৪.স্বপ্নদোষ নিবারক
৫.যৌন দূর্বলতা ও স্নায়ুবিক দূর্বলতায় কার্যকর

এছাড়াও লিভার কিডনির প্রতিবন্ধকতা দূর করে তালমাখনা।

তিসির উপকারিতা:

ফ্ল্যাক্স সিড (তিসি) ALA-Alpha-Linolenic Acid নামে ওমাগা-৩ এর এক আদর্শ উৎস।

উপকারিতা:
১.হার্ট ও ধমনীর ব্লকেজ বন্ধ করতে সাহায্য করে
২.উচ্চ রক্তচাপ কমায়
৩.কোলেস্টেরল কমায়
৪.বাড়তি ওজন কমায়

এছাড়াও তিসিতে বিদ্দমান উচ্চমানের আমিষ,ওমেগা ও আঁশ তিসিকে সবার পছন্দের খাদ্য তালিকায় এনে দিয়েছে।

তোকমা দানার উপকারিতাঃ

১। তোকমা দানার শরবত শরীরের প্রশান্তি কারক।
২। রক্তের শর্করা কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৩। নিয়মিত তোকমা দানার শরবত খেলে ঠান্ডা ও মৌসুমী জ্বরের সমস্যা হয় না।
৪। তোকমা দানা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
৫। এসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করে ও পেটের জ্বলাপোড়া কমায়।
৬। লিভার ভাল রাখে।
৭। দেহের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে।

সেবন পদ্ধতিঃ ১ অথবা ২ চা চামচ তোকমা দানা ১ গ্লাস পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে খাবেন।

সতর্কতাঃ গর্ভবতী নারী ও শিশুদের তেকমা দানা খাওয়া উচিত নয়।

ইসবগুলের ভুসির উপকারিতাঃ

১। কোষ্ঠকাঠিন্য ও কোষ্ঠবদ্ধতা দূর করে।
২। হজমক্রিয়া উন্নতি করে।
৩। ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে।
৪। পাইলস প্রতিরোধ করে।
৫। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

সেবন পদ্ধতিঃ ১ বা ২ চা চামচ পাউডার পানিতে ভিজিয়ে দৈনিক এক বা দু ‘বার খাবেন।

শিমুল মূলের উপকারিতাঃ

১। স্নায়ুবিক দুর্বলতা দূর করে।
২। যৌনশক্তি বর্ধক, বীর্য সৃষ্টিকারক ও শুক্র তারল্য রোধ করে।
৩। পাতলা পায়খানায় ও রক্ত আমাশয় কার্যকরী।
৪। মহিলাদের শ্বেতপ্রদহ ও অতিরিক্ত ঋতুস্রাবে কার্যকরী।
৫। দাঁতের মাড়ি শক্ত করে।
৬। পোড়া ও ফোড়ায় পেস্ট করে দিলে ব্যাথা কমে ও ঘা সারে।
সেবন পদ্ধতিঃ ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে খাবেন। দুধের সাথে খেলে আরো ভাল।

তেঁতুল বীজের উপকারিতাঃ

১। তেঁতুল বীজ বলকারক।
২। তেঁতুল বীজ শরীরের দূর্বলতা দূর করে।
৩। দ্রুত বীর্যপাত রোধ করে ও যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে।
৪। তেঁতুল বীজ বীর্যের উৎপাদন ও শুক্রের উৎপাদন বৃদ্ধি করে।
৫। তেঁতুল বীজ মহিলাদের জরায়ুর শক্তি বৃদ্ধি করে।

সেবন পদ্ধতিঃ ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে খাবেন।

শতমূলীর উপকারীতা:

১,স্নায়ুশক্তি,হজমশক্তি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভুমিকা রাখে
২,শারীরিক দূর্বলতা দূর করে
৩,রক্তস্বল্পতা রোধ করে
৪.হরমোনাল ব্যালেন্স তৈরি করে

এছাড়াও ব্যথা, ডায়রিয়া, আমশয় ও শরীরের নানা প্রদাহ রোধে এটি অত্যন্ত কার্যকরী।

আলকুশি (দুধ দিয়ে শোধিত) আলকুশি শারীরিক শক্তি বাড়াতে বিশেষ সহায়ক।

উপকারিতা:
১.দ্রুত বীর্যপাত,লিঙ্গ শৈথিল্য ও ধাতু দূর্বলতা দূর করে।
২.শুক্রু বৃদ্ধি ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা দূর করতে এটির ভূমিকা অতুলনীয়।

অশ্বগন্ধার উপকারিতাঃ

১। মানসিক উদ্বেগ, বিষন্নতা ও অবসাদ দূরীকরণে খুবি কার্করী।
২। রক্তের শর্করা কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।
৩। রক্ত সল্পতা দূর করে।
৪। খারাপ কোলেস্টেরল মাত্রা দূত কমায়।
৫। স্নায়ু দূর্বলতা দূর করে এবং স্মৃতিশক্তি বর্ধক।
৬। অশ্বগন্ধা এস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়িয়ে কোলাজেন তৈরী করে যা ত্বকে রাখে চির তরুন এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বড়ায় চোখে পড়ার মতো।
৭। অশ্বগন্ধা শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে ও শুক্রানুর পরিমাণ বাড়ায়।
সেবন পদ্ধতিঃ ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ কুসুম গরম পানি /দুধ/ চা এর সাথে খাওয়া যাবে। সাথে মধু সহ খেলে আরো ভালো ফলাফল পাবেন।

সৈন্ধব লবনের উপকারীতা:

১.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে. ২.ঠান্ডা লাগা,জ্বর, ফ্লু, অ্যালার্জির মতো বেশ কিছু
রোগের হাত থেকে শরীরকে বাঁচায়।৩.ওজন কমায়৷
৪.দেহে ডাইজেস্টিভ জুস উৎপন্ন করে যা খুব তাড়াতাড়ি খাবার হজম করতে
সহায়তা করে
৫.ত্বকের সমস্যা কমায়৷
৬.রক্ত সঞ্চালন ভাল করে
৭.ত্বকের টিস্যুগুলো হাইড্রেট করতে সাহায্য করে।
৮. হার্টের রোগীদের জন্য উপকারি।

এছাড়াও সৈন্ধব লবণ রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে, এরফলে রক্তচাপ কমে এবং স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের
সম্ভাবনা কমিয়ে হার্টকে ভাল রাখে।

মধুর উপকারিতা:

গুণের শেষ নেই মধুর। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপারসহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমাদের দেহের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে। প্রতিদিন এক চামচ মধু যে আপনার শরীরের কতটা উপকারে লাগতে পারে তা বলে শেষ করা যাবে না। আসুন জেনে নিই মধুর কিছু গুণাগুণ সম্পর্কে-

● মধুতে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান যা ছত্রাক ও অন্যান্য কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বককে ঠিক করতে সাহায্য করে ও নতুন ত্বক গঠনে ভূমিকা রাখে। চর্মরোগ হলে নিয়মিত আক্রান্ত স্থানে মধু লাগান। এক চামচ মধুর সাথে অল্প পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

● প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মধুতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম রক্তে প্রবেশ করে। এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এভাবে মধু রক্তস্বল্পতা রোগকে প্রতিরোধ করে।

● মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগ সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। ফলে সহজে ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়তে পারে না। প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু রঙ চা কিংবা দুধের সাথে খেতে পারেন। সেই সাথে আপনার রোজকার ফেস প্যাকেও ব্যবহার করতে পারেন মাত্র এক চামচ মধু। মধু ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর করে ও মুখের ত্বকে ভাঁজ পড়া রোধ করে।

● মধুর ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, সি কপার , আয়োডিন ও জিংক দেহে এইচডিএল (ভালো) কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে মধু কোলেস্টেরল সংক্রান্ত রোগ থকে দেহকে মুক্ত রাখে। দিনে অন্তত এক চামচ মধু খেয়ে নিন,যেভাবে আপনার ভালো লাগে।

● মধু শরীরের ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। মধুতে মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুরে, কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। ব্যথা কমবে ও দ্রুত নিরাময় হবে। মধুতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা ক্ষত পরিষ্কার হতে সাহায্য করে ও ব্যথা, ঘ্রাণ, পূঁজ ইত্যাদি হ্রাস করে দ্রুত ক্ষত নিরাময় করে।

সেবারু ডট কমে খাটি সরিষার তেল, হলুদ, মরিচ, মসলার গুরা ইত্যাদি প্রায় সকল নিরাপদ খাদ্য ক্রয়ের জন্য ফোন করুন: ০১৭১৬৪৭৪৬৭৬ নম্বরে বা এখানে ক্লিক করে বিস্তারিক জেনে নিন। শুধু মুনাফাই নয়, সুসম্পর্ক উন্নয়নই আমাদের লক্ষ্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *