হেলথ টেকনোলজি ভর্তি

হেলথ টেকনোলজিত ও প্যারামেডিকেল কোর্স এ ভর্তি ও ক্যারিয়ার


হেলথ টেকনোলজিতে ভর্তি হওয়ার জন্য এখন প্রচুর পড়াশোনা করতে হয়। কারণ চাকুরির বাজারের কথা চিন্তা করে এর চাহিদা বড়ছেই।
বাংলাদেশে ঢাকা, রাজমাহীসহ বিভিন্ন শহরে বেশ কয়েকটি সরকারি হেলথ টেকনোলজি ইনস্টিটিউট ও প্যারামেডিকেল ইনস্টিটিউট রয়েছে।
এছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে ডাকায় বেশ কযেকটি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। যেমন-সাভারে সিআরপি-এর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ হেলথ প্রফেশনস ইনস্টিটিউট।
এসব প্রতিষ্ঠানে মেডিকেল টেকনোলজি (যেমন, রেডিওলজি/ইমেজিং), ফিজিওথেরাপি, ল্যাংগুয়েজ-থেরাপী, অবুপেশনাল থেরাপী পার্মেসী,
ফ্রাথলজী এন্ড ল্যাব টেকনোলজি, প্যারামেডিকেল কোর্স প্রভৃতি বিষয়ে ডিপ্লোমা এবং অনার্স কোর্স করার সুযোগ রয়েছে।
ডিপ্লোমা কোর্সের সুবিধা হচ্ছে এসএসসি পাশ করার পরই তা করা যায়। এসকল বিষয়ে বাংলাদেশে প্রচুর সরকারি বেসরকারি চাকরি খালি আছে।
এ ছাড়াও বিদেশে উচ্চ শিক্ষা লাভের সুযোগ আছে।

হেলথ টেকনোলজির সাথে সংশ্লিষ্ট আরও সাবজেক্ট সমূহ:

আরো বেশ কয়েকটি বিষয় রয়েছে যেগুলি কোন না কোনভাবে চিকিৎসা সেবার সাথে জড়িত এবং যে কেউ ক্যারিয়ার হিসেবে এ পেশাগুলো গ্রহণ করতে পারেন।
যেমন, ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন প্যারামেডিকেল কোর্স, ৬ মাস মেয়াদি প্রফেসনাল সার্টিফিকেট ইন আল্ট্রাসাউন্ড কোর্স ইত্যাদি।
নিচে এদের কয়েকটি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হল।

হেলথ ইকোনমিক্স ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যেমন-ব্যান্ড ইউনিভার্সিটিতে হেলথ ইকনোমিক্স পড়া যায়। বড় বড় এনজিও WHO, UNICEF ও অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো খুব লোভনীয় বেতনের চাকরির সুযোগ রয়েছে। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে এ বিষয়ে স্কলারশীপ দেওয়া হয়। তবে প্রার্থীকে অবশ্যই ভাল অংকের মেধা থাকতে হবে।

পুষ্টিবিবজ্ঞান : হাসপাতালের ডায়েটিশিয়ান হিসেবে চাকরির সুযোগ রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পড়া যায়।
হেলথ ম্যানেজমেন্ট : বড় বড় হসপিটাল পরিচালনা করার কৌশল নিয়ে এ বিষয় গড়ে উঠেছে। এমবিবিএস করার পর এ বিষয়ে মাস্টার্স করা যায় অথবা সরাসরি বিবিএ করে হেলথ ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স করা যায়।

বিদেশে প্যারামেডিকেল কোর্স এ ভর্তির কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান

বি. এম. এস. সি. এল. ইউজিসির তালিকা ভূক্ত ও বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে স্টুডেন্ট ভর্তি বিষয়ে কনসালটেন্সি প্রদান করে থাকে।
এখানে ভর্তির পূর্বেই শিক্ষার্থীর যোগ্যতা, অর্থনৈতিক সামর্থ্য, উদ্দেশ্য, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুযায়ী সাবজেক্ট ও ইউনিভার্সিটি সিলেক্ট করে দেওয়া হয়।
স্টুডেন্ট ভর্তির পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যায় ও জীবন যাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা ও তথ্য দিয়ে থাকে।
বি. এম. এস. সি. এল. পড়াশোনা শেষ হওয়া পযর্ন্ত নানা ধরনের সেবা প্রদান করে, এতে করে ভর্তির পর স্টুডেন্টকে ভোগান্তিতে পড়তে হয় না।


স্টুডেন্ট ভিসা বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করুন। সেবারু ডটকম (shebaru.com) থেকে খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করুন: স্টুডেন্ট ভিসা বিষয়ক ট্রেনিং।। স্টুডেন্ট ভিসা ফেসবুক গ্রুপ।। ইউটিউব চ্যানেল।। ভিসার জন্য যোগাযোগ
মো+হোয়াটসঅ্যাপ: +8801790550000 লেখাটি সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *