অনলাইনে ইনকাম

প্রতিদিন ৫০০ টাকা অনলাইনে ইনকাম করুন!

আজকের আলোচনায় সাদর সম্ভাষণ। এখন আমি আপনাকে দেখিয়ে দেব প্রতিদিন কমপক্ষে ৫০০ টাকা কিভাবে অনলাইনে মোবাইল দিয়ে ইনকাম করা যায়?
আপনি হয়ত বলবেন, কি কাজ? কীভাবে করব? কত দিন সময় লাগবে? ইত্যাদি আরো অনেক প্রশ্ন।
হ্যা, এ বিষয়ে আপনার সকল কৌতহলের বিস্তারিত উত্তর পাবার জন্য শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করুন প্লিজ।

শুরুতে আমি আপনাদের সঙ্গে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব, সেটি হচ্ছে, ”অনলাইনে ইনকাম এর সঠিক পদ্ধতি”। অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন করতে গেলে আপনার সঠিক পন্থা জানতে হবে। সঠিক পন্থা যদি আপনি না জানেন তাহলে কিন্তু কাজ করতে গিয়ে প্রতারণায় পড়তে পারেন। কারণ, বাংলাদেশের অনেকেই অনলাইন বা ফেসবুক অথবা মোবাইল দিয়ে বিনা প্রচেষ্টায় রাতারাতি বড়লোক হওয়ার প্রলভোন দেখিয়ে আপনার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতে পারে। এদেরকে চিনবেন কিভাবে? তাহলে শুনুন এদের বিজ্ঞাপন গুলো কেমন হতে পারে, এরা বলবে, ভিডিও দেখে ডলার ইনকাম করুন বা Youtube এ ভিডিও দেখে আয় করুন অথবা বলবে, বিজ্ঞাপন দেখে টাকা আয় মাসে ১ লাখ টাকা! এরা মোবাইলের বিভিন্ন অনলাইন আর্নিং আ্যপস অথবা নানা অখ্যাত ওয়েব সাইটের কথা বলবে। প্রমাণ চাইলে এখনই গুগলে সার্চ করুন এই লিখে যে, “ভিডিও দেখে আয় করার ওয়েবসাইট ও অ্যাপ”।

মূলত ইন্টারনেটে আয়ের সিস্টেমটা না জানা থাকার কারণে অনেকেই প্রতারণার শিকার হন। সুতরাং সঠিক পন্থা জানা থাকাটা আপনার জন্য খুবই জরুরী। আর যদি এ সঠিক পথ না জানেন তাহলে অনলাইনে টাকা উপার্জনের পিছনে যে সময় ব্যয় করবেন, তা হবে শুধুই পণ্ডশ্রম, জীবনে অনলাইনের টাকা আপনার পকেটে ঢুকবে না। তাহলে কি বলবেন অনলাইনে টাকা আয় করা অসম্ভব? না আমি সে কথা বলছি না; আমি বলছি আপনাকে সঠিক পন্থাটা জানতে হবে।

অনলাইনে ইনকাম করার সঠিক উপায়:

সর্বপ্রথম আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে পরিশ্রম বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতা ব্যতীত টাকা উপার্জন করা যায় না। এর পরে যা আপনার থাকতে হবে তা হল, একটি ইন্টারনেট কানেকশন, ওয়াইফাই হলে ভালো হয়, না হলে ৪ জি সাপোর্ট করে এমন মোবাইল ডাটা, একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার। ভালো মানের মোবাইলেও কাজ করা যায় কিন্তু সেটা হবে খুব সিমীত ও সহজ কিছু কাজের জন্য। এবং যে কাজ করে আয় করবেন তার একটি ভালো প্রশিক্ষণ, তারপর যে জায়গায় কাজ করে অর্থ উপার্জন করবেন সে বিষয়ে ধারণা লাভ করা ও টাকা উত্তলনের নিয়ম জানা। এতো গেল প্রস্ততি পর্ব, এবার শুনুন একে একে বলি বাকি স্টেপ গুলো।

কি কাজ শিখবেন?

এবার আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে তাহলে কি কাজ শিখব? উত্তরে বলি, আপনার যেটা ভালো লাগে সেটাই শিখুন। ইন্টারনেট থেকে আয়ের অনেক মাধ্যম আছে এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য প্ল্যাটফর্ম গুলোর একটি হল, ইউটিউব: এক্ষেত্রে আপনার মধ্যে যদি কোন ধরনের প্রতিভা থাকে মানুষের সামনে উপস্থাপন করার মতো তাহলে আপনি সেটি ব্যবহার করে ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারেন। যেখানে আপনি ভিডিও তৈরি করে তা মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে অথবা এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা উপার্জন করতে পারেন। এরপরে আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে, আপনি যদি ভাল ওয়েব ডিজাইন শিখেন অথবা আপনি যদি ভালো গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখেন অথবা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে পারেন।

কোথায় থেকে উপার্জন করবেন?

পৃথিবীর স্বনামধন্য কিছু মার্কেট প্লেস থেকে অ্যাকাউন্ট ওপেন করে আয় করতে পারেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আপওয়ার্ক, ফাইবার, ফ্রিল্যান্সার, মাইক্রোওয়ার্কার, এসইও ক্লার্ক, গুরু ইত্যাদি। আবার আপনি একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে প্রবন্ধ লিখে গুগলের এডসেন্স ব্যবহার করেও আয় করতে পারেন। এই বিষয়গুলো থেকে অনলাইন মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারেন বৈধ এবং সঠিক উপায়। এছাড়া বাকি অন্য সকল সিস্টেমগুলি মূলত ফেক।

বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং শিখু!!!

যারা ফ্রিতে ডিজিটাল মার্কেটিং/ফ্রি ল্যান্সিং করে প্রতি মাসে নিশ্চিত আয় করতে চান তাদের জন্যই মূলত এ কোর্সটি।
রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন

ফেসবুক গ্রুপ:
বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে বা ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে নানা প্রশ্নের সামাধান পেতে মেম্বার হতে পারেন “ডিজিটাল মার্কেটিং হেল্পলাইন” ফেসবুক গ্রুপটিতে।
গ্রুপ লিংক https://www.facebook.com/groups/digitalhelp

কোথায় শিখবেন?

শুরুতে আপনাকে একটি অনলাইনে ইনকাম কোর্স থেকে ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা ডিজিটাল মার্কেটিং এর যেটি আপনার কাছে ভালো মনে হয় সেটি আপনি শিখে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে হাতে কলমে ট্রেনিং নিতে হবে। মনে রাখবেন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা ট্রেনিং এর নামে নামকাওয়াস্তে ট্রেনিং দিয়ে আপনার কাছ থেকে কিছু টাকা হাতিয়ে নিতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি ওই কোম্পানির ফেইসবুক গুগোল রিভিউ দেখে তারপরে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে ভর্তি হতে পারেন।

অনলাইন আয়ের টাকা উত্তোলন পদ্ধতি:

এখন প্রশ্ন হলো আপনি কিভাবে এই টাকাগুলো উত্তোলন করবেন? টাকা উত্তোলনের জন্য অনেক পদ্ধতি রয়েছে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আপনি আপনার ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারেন, পাইওনিয়ার কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে পারেন, অথবা পেপালে টাকা উত্তোলন করতে পারেন। সিটি ব্যাংক এর স্বাধীন নামক একটি ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করেও ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা উত্তলন করা যায়।

আরও পড়ুন:

উপরে দেখানো স্টেপ গুলো যদি ভালো ভাবে ফলো করেন তা হলে আশা করা যায় একমাস থেকে তিন মাস পর অবশ্যই আপনি প্রতিদিন অন্তত পক্ষে ৫০০ টাকা প্রতিদিন অনলাইনে ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারবেন। যে আয়ের পরিমাণ টা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে। এক সময় আপনিই হয়তো হয়ে যাবেন হাজার হাজার দিশেহার বেকার অথাবা তরুন উদ্যোক্তাদের মডেল। টিভির পর্দায় আপনার সাফল্য কাহিনী দেখানো হবে। গল্প বলছি না! বিশ্বাস করুন, নেমে পড়ুন, লেগে থাকুন, সাফল্য আসবেই। বিদায়.. ভালো থাকবেন, দোওয়া করবেন। আল্লাহ্ হাফেজ।


ডিজিটাল মার্কেটিং ও ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে জানতে নিচে কমেন্ট করুন। সেবারু ডটকম (shebaru.com) থেকে খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
আমাদের সাথে যুক্ত হতে: ফেসবুক গ্রুপ ।। ইউটিউব চ্যানেল।। যোগাযোগ
মোবাইল+হোয়াটসঅ্যাপ: +8801790550000 (সকাল ১০ – রাত ৯ টার মধ্যে কল করুন)

লেখাটিতে উপকার পেয়েছেন? আবার পড়তে চান? তাহলে শেয়ার করুন।

4 thoughts on “প্রতিদিন ৫০০ টাকা অনলাইনে ইনকাম করুন!”

    1. প্রিয় এমডি. রহিম, আয়ের ফর্মুলা গুলো ভালো করে পড়ুন। প্রয়োজনে একটি অনলাইন কোর্স করুন। কোর্স লিংক দেওয়া আছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.